জমিদার
দিলোয়ার
হোসেন পাঠান
দাদার ছিলো জমিদারি, বাপের
ছিলো বিশাল বাড়ি,
ছেলের হাতে ভাঙা হাড়ি, বংশের
গরিমায় বাহাদুরি!
দাদার কীর্তি, দাদার গর্ব,
আকাশ ছোঁয়া গল্প,
নিজে কিছু না পারি, তবু সেথা
চর্চা করি।
বাপের ছিলো বিশাল বাড়ি, ধন
দৌলতে ভরা,
নিজের গুণে, নিজের কর্মে, নাই
কিছুই করার।
কথায় ফোটে ফুলঝুরি, ফাঁকি
মারে সব কাজে,
বাপ দাদার সুনাম লয়ে, চলে তাহার
রঙ্গীন বড়াই।
ছেলের হাতে ভাঙা হাড়ি, কর্মেতে
নাই কোনো সাজ,
চাপাবাজির ফাঁদ পেতেছে, কর্মফলে
খালি ভাগ।
বাপ দাদার কীর্তি যত, তাতেই
যেন চাপাবাজি,
নিজে কিছু না পারি, তবু শুনায়
গলাবাজি।
মানুষ বড় হয় কর্মে, বংশের নামে
নয়,
বাপ দাদার গরিমা লয়ে, সত্যিকারের
সফলতা নয়।
নিজের শক্তি, নিজের পরিশ্রম,
সুন্দর একটা জীবন গড়ি,
বাপ দাদার গরিমায়, হয় না নিজের
পথ চড়া।
সত্যিকার বীর সে জন, যাহার
কর্মে মহিমা রয়,
বাপ দাদার নামে নয়, নিজের গুণে
বাঁচে।
দাদার জমিদারি, বাপের বাড়ি,
সেসব এখন স্মৃতি,
নিজের শক্তি পায়ের জোর, তাতেই
জীবনের পূর্ণগীতি।